বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৩

গাছের পাতায় সোনা!

gold tree
কথায় কথায় অনেকেই বলেন, টাকা কী গাছে ধরে? গবেষকেরা বলছেন, টাকা হয়তো গাছে ধরে না, তবে গাছের পাতায় সোনা ঠিকই ধরে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা ইউক্যালিপটাস গাছের পাতায় সোনা জমে থাকার প্রমাণ পেয়েছেন। বার্তা সংস্থা সিএনএন এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার আউটব্যাক অঞ্চলে ইউক্যালিপটাস গাছের পাতায় সোনা জমে থাকার প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছেন তাঁরা। ‘নেচার কমিউনিকেশনস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধে গবেষকেরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই প্রচলিত রয়েছে যে উদ্ভিদ মাটি থেকে নানা খনিজ শোষণ করতে পারে। এবারে গবেষকেরা মাটির গভীর থেকে সোনার মতো দামি উপাদান শোষণের প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছেন।

তাঁরা বলছেন, গাছের পাতা যে সোনা জমা করে রাখে, খালি চোখে তা দেখা সম্ভব নয়। পশ্চিম ও দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার ইউক্যালিপটাস ও অ্যাকেশিয়া গাছের মূল খনিজ শোষণের প্রক্রিয়ায় সোনাও শোষণ করে। খরা মৌসুমে এ ধরনের উদ্ভিদের মূল মাটির অনেক গভীরে পানির সন্ধান করতে থাকে। এ সময় সোনাও শোষণ করে ফেলে এবং পাতায় তা জমা হয়। মাটি থেকে সোনা শোষণের ক্ষেত্রে উদ্ভিদ অনেকটা হাইড্রোলিক পাম্পের মতো কাজ করে।
গবেষক মেল লিনটার্ন জানিয়েছেন, সোনা সংগ্রহ করে এমন ৫০০ গাছ থেকে যে সোনা আহরণ করা সম্ভব, তা দিয়ে কেবল একটি সোনার আংটি বানানোর মতো স্বর্ণ পাওয়া যেতে পারে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, সোনা খোঁজ করার এ পদ্ধতিটি সোনার খোঁজ করার প্রযুক্তি ও পদ্ধতিকে আরও উন্নত করতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া এ প্রক্রিয়ায় কোনো অঞ্চলে যথেষ্ট পরিমাণ লোহা, তামা বা শিশা মজুত আছে কি না, গাছ লাগিয়ে তা জানা সম্ভব হবে।
ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, মানব সভ্যতার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ভূপৃষ্ঠ থেকে এক লাখ ৭৪ হাজার টন সোনা আহরণ করা সম্ভব হয়েছে। ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপের তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীতে এখনো ৫১ হাজার টনের মতো সোনা মজুত রয়েছে।

Unknown

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua. Ut enim ad minim veniam, quis nostrud exercitation.

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 

Copyright @ 2013 Daily News Update.