চলচ্চিত্র প্রযোজক মাহফুজ
মাহফুজ আহমেদ অভিনয়শিল্পী। অভিনয়ের পাশাপাশি ১৯৯৪ সালে নাটকের মাধ্যমে প্রথম প্রযোজনায় এসেছিলেন। চয়নিকা চৌধুরীর লেখা ‘বোধ’ নাটকটি পরিচালনা করেছিলেন ফারিয়া হোসেন। এরপর খণ্ড নাটক, টেলিছবি, ধারাবাহিক মিলিয়ে এখন পর্যন্ত শতাধিক নাটক প্রযোজনা করেছেন মাহফুজ। এসবের ফাঁকে নাটক পরিচালনার কাজটিও করেছেন তিনি। এবার চলচ্চিত্র প্রযোজনার খাতায় নাম লেখালেন মাহফুজ। চার বন্ধু মিলে তৈরি করেছেন প্লে হাউস নামের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে নির্মাণ করতে যাচ্ছেন ‘জিরো ডিগ্রি’ নামের চলচ্চিত্র। মাহফুজ আহমেদ বলেন, ‘অনেক বছর ধরেই মিডিয়াতে কাজ করছি। শুরু থেকেই চেষ্টা করেছি ভালো কিছুর সঙ্গে যুক্ত থাকার। তারই প্রক্রিয়া হিসেবে অভিনয়ের পাশাপাশি নাটক প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। এবার বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য ভালো কিছু করার আন্তরিক ইচ্ছা থেকেই চলচ্চিত্র প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত হলাম।’ মাহফুজ আহমেদ এও বলেন, ‘অভিনয়, পরিচালনা ও প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সামনে চলচ্চিত্র পরিচালনা করব। আর তাই চলচ্চিত্রের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো আরও কাছ থেকে জানা ও শেখার জন্য চলচ্চিত্র প্রযোজনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ ‘জিরো ডিগ্রি’ ছবিটিতে মাহফুজ ছাড়া অন্য তিন প্রযোজক হলেন লিংকন, খসরু ও অনিমেষ আইচ। প্রযোজনার পাশাপাশি ছবিটিতে অভিনয়ও করবেন মাহফুজ আহমেদ। ছবিটির অন্য দুই প্রধান অভিনয়শিল্পী হলেন জয়া আহসান ও রুহি।
মুখোমুখি বর্ষা ও অনন্ত!
সংসার ও রুপালি পর্দার এই সফল জুটি খোলাখুলি বলেছেন একে অপরকে নিয়ে।
অনন্তর চোখে বর্ষা
গুণ
বর্ষার রান্নার হাত অনেক ভালো।
ও খুব সুন্দর করে কথা বলতে পারে।
বর্ষা খুব সংসারী একটা মেয়ে। আমাদের সংসারটাকে সে সুন্দর করে সাজিয়েছে।
দানশীলতার ব্যাপারটা ওর মধ্যে আছে। সব সময় দেখি ও কাছের আত্মীয়স্বজনকে বিপদে-আপদে সাহায্য করে।
ঝামেলার সময়ও সে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারে। চট করে রেগে যায় না।
দোষ
মজা করে কথা বলতে গেলে সেটা ও খুব সিরিয়াসলি নিয়ে নেয় অনেক সময়।
ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় সঙ্গে সঙ্গে ওর ফোন ধরতে পারি না। ফোন না ধরলে ও অভিমান করে বসে।
এই কারণটাও মোবাইল ফোন-সম্পর্কিত। ব্যস্ততার কারণে চট করে ফোন করে ফোন রেখে দিলে ও রাগ করে।
বাইরে কোথাও বেড়ানোর জন্য রেডি হতে বলার পর সময়মতো যদি না আসি, তাহলে খুব অভিমান করে।
না বুঝে ও অনেক সময় ভুল করে ফেলে।
বর্ষার চোখে অনন্ত
গুণ
অসম্ভবকে সম্ভব করাই অনন্তর কাজ।
যখন কারও জন্য কিছু করে, মন থেকে করে।
কাজ নিয়ে কখনো অবহেলা করে না। আলস্য বলতে কোনো জিনিস ওর মধ্যে দেখিনি।
সংসারের সবকিছু দেখাশোনা করে। আমার প্রতি সব সময় খেয়াল রাখে।
প্রশাসনিক কাজে দক্ষতা, সততা, নিষ্ঠা।
দোষ
কোনো কারণে মোবাইল ফোন একবার ‘সাইলেন্ট’ করলে সেটা আবার ‘জেনারেল মোড’-এ আনতে ভুলে যায়।
হঠাৎ করে রেগে যায়, যদিও রাগটা বেশিক্ষণ থাকে না।
ও হলিউডের অ্যাকশন ছবির খুব ভক্ত। অ্যাকশন ছবি দেখতে বসলে নাওয়া-খাওয়া একদম ভুলে যায়।
এসএমএসের উত্তর দেয় অনেক দেরিতে।
কোনো কারণে আমি যদি অভিমান করে ফোন না করি, তাহলে সেও জেদ ধরে। আমাকে অনেক দেরি করে ফোন করে।
অনন্তর চোখে বর্ষা
গুণ
বর্ষার রান্নার হাত অনেক ভালো।
ও খুব সুন্দর করে কথা বলতে পারে।
বর্ষা খুব সংসারী একটা মেয়ে। আমাদের সংসারটাকে সে সুন্দর করে সাজিয়েছে।
দানশীলতার ব্যাপারটা ওর মধ্যে আছে। সব সময় দেখি ও কাছের আত্মীয়স্বজনকে বিপদে-আপদে সাহায্য করে।
ঝামেলার সময়ও সে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারে। চট করে রেগে যায় না।
দোষ
মজা করে কথা বলতে গেলে সেটা ও খুব সিরিয়াসলি নিয়ে নেয় অনেক সময়।
ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় সঙ্গে সঙ্গে ওর ফোন ধরতে পারি না। ফোন না ধরলে ও অভিমান করে বসে।
এই কারণটাও মোবাইল ফোন-সম্পর্কিত। ব্যস্ততার কারণে চট করে ফোন করে ফোন রেখে দিলে ও রাগ করে।
বাইরে কোথাও বেড়ানোর জন্য রেডি হতে বলার পর সময়মতো যদি না আসি, তাহলে খুব অভিমান করে।
না বুঝে ও অনেক সময় ভুল করে ফেলে।
বর্ষার চোখে অনন্ত
গুণ
অসম্ভবকে সম্ভব করাই অনন্তর কাজ।
যখন কারও জন্য কিছু করে, মন থেকে করে।
কাজ নিয়ে কখনো অবহেলা করে না। আলস্য বলতে কোনো জিনিস ওর মধ্যে দেখিনি।
সংসারের সবকিছু দেখাশোনা করে। আমার প্রতি সব সময় খেয়াল রাখে।
প্রশাসনিক কাজে দক্ষতা, সততা, নিষ্ঠা।
দোষ
কোনো কারণে মোবাইল ফোন একবার ‘সাইলেন্ট’ করলে সেটা আবার ‘জেনারেল মোড’-এ আনতে ভুলে যায়।
হঠাৎ করে রেগে যায়, যদিও রাগটা বেশিক্ষণ থাকে না।
ও হলিউডের অ্যাকশন ছবির খুব ভক্ত। অ্যাকশন ছবি দেখতে বসলে নাওয়া-খাওয়া একদম ভুলে যায়।
এসএমএসের উত্তর দেয় অনেক দেরিতে।
কোনো কারণে আমি যদি অভিমান করে ফোন না করি, তাহলে সেও জেদ ধরে। আমাকে অনেক দেরি করে ফোন করে।



0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন